রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন

ঘোষনা :
  সম্পূর্ণ আইন বিষয়ক  দেশের প্রথম দৈনিক পত্রিকা   দৈনিক ইন্টারন্যাশনাল এর  পক্ষ থেকে সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা   । 
সংবাদ শিরোনাম :


দুর্গাপূজায় পটকা-আতশবাজি ও মাদকের ব্যবহার নিষিদ্ধ -ডিএমপি

দুর্গাপূজায় পটকা-আতশবাজি ও মাদকের ব্যবহার নিষিদ্ধ -ডিএমপি

স্টাফ রিপোর্টারঃ দুর্গাপূজাকে ঘিরে কোনো ধরনের নিরাপত্তার হুমকি নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। নিরাপত্তার স্বার্থে দুর্গাপূজায় পটকা, আতশবাজি ও মাদকের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজান ও নামাজের সময় সব ধরনের বাদ্যবাজনা বন্ধ থাকবে। এবার দুর্গাপূজার বিসর্জনের দিন শুক্রবার হওয়ায় ওই দিন দুপুর ১২টা থেকে ২ টা পর্যন্ত সব ধরনের বাদ্যবাজনা স্থগিত থাকবে।

গতকাল রোববার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, দুর্গাপূজা উৎসবকে ঘিরে সমন্বিত ও সুদৃঢ় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে এবার ২৩৪টি সর্বজনীন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৯টি সবচেয়ে বড় মন্দির। এগুলো হচ্ছে ঢাকেশ্বরী মন্দির, রামকৃষ্ণ মন্দির, কলাবাগান মন্দির, বনানী মন্দির। এর বাইরে সিদ্ধেশ্বরী কালি মন্দির, রমনা কালি মন্দির, উত্তরা সর্বজনীন পূজা মণ্ডপ, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট সমাজকল্যাণ সংঘ ও বসুন্ধরা সর্বজনীন পূজা মণ্ডপ। এর বাইরের সব মন্দিরেই কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে।

নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে- প্রত্যেকটি মন্দির সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে মনিটর করা হবে। আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে ভক্ত ও দর্শকদের প্রবেশ করতে হবে। পুলিশ ও সাদাপোশাকে পুলিশ সদস্যরা মোতায়েন থাকবে। স্বেচ্ছাসেবকেরা আর্মড ব্যাচ পরে আলাদা পোশাকে থাকবেন। প্রত্যেক দর্শনার্থী ও ভক্তকে নিরাপত্তা বলয়, তল্লাশি ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেক করার পর প্রবেশ করতে হবে।

এ ছাড়া ঢাকেশ্বরীর বাইরের প্রত্যেকটি মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। থাকবে ফায়ার টেন্ডার ও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। পুরো পূজা উৎসব ঘিরে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম বসানো হয়েছে। সেখান থেকে সার্বক্ষণিক পুলিশ কর্মকর্তারা পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা দেবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকার প্রত্যেকটি বড় বড় মন্দির স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ডিএমপি’র ও র‌্যাবের ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। নিরাপত্তায় র‌্যাবের সদস্যরাও কাজ করবে। কোনো ধরনের ছিনতাই ও ইভটিজিংয়ের ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য গোয়েন্দা পুলিশ ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন। পূজামণ্ডপ এলাকায় হকার বসতে ও ঢুকতে দেওয়া হবে না।

দশমীর দিনে শোভাযাত্রা হবে। শোভাযাত্রার রুট ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে বেরিয়ে পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, গোলাপ শাহ মাজার হয়ে, বঙ্গবন্ধু স্কয়ার হয়ে, সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সের সামনে দিয়ে, নবাবপুর সড়ক দিয়ে রায় সাহেব বাজার মোড়, বাহাদুর শাহ পার্ক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, পাটুয়াটুলী হয়ে ওয়াইজঘাটে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে বিসর্জন হবে। শোভাযাত্রা ও বিসর্জন ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শোভাযাত্রার সামনে পেছনে ও মাঝে পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, আমরা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সঙ্গে কয়েক দফায় বৈঠক করেছি। নিরাপত্তা সুবিধায় বিজয় শোভাযাত্রায় উঁচু শব্দে পিএ সেট বাজনা বন্ধ থাকবে। বিসর্জনের সময় নদীতে নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা মোতায়েন থাকবে। ফায়ার সার্ভিসের সার্চলাইটের মাধ্যমে পর্যাপ্ত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুরো ঢাকা শহরে নিরাপত্তা চেকপোস্ট থাকবে। সম্মানিত ভক্তকুল ও দর্শনার্থীদের অনুরোধ জানাচ্ছি, পূজামণ্ডপে ছুরি, কাঁচি, পোঁটলা, ব্যাগ, ব্যাগপ্যাক নিয়ে আসবেন না। কারণ কাউকে এসব নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শোভাযাত্রার রুটে অবাঞ্ছিত লোক, হকারদের বসতে দেওয়া হবে না। চলাচলের ক্ষেত্রে সড়কে ডাইভারশন দেওয়া হবে। এ সময় তিনি সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান।

 

এই সংবাদ টি সবার সাথে শেয়ার করুন




দৈনিক ইন্টারন্যাশনাল.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  © All rights reserved © 2018 dainikinternational.com
Design & Developed BY Anamul Rasel